সত্যের সন্ধানে বিশ্বজুড়ে, প্রবাসের খবর সবার আগে।
পোর্টাল: www.anb24.net | প্রিন্টের সময়: ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:৩৩ এএম
একটি মানুষের স্বপ্ন, অনেক মানুষের ভবিষ্যৎ মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর সবচেয়ে বড়
মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী
একটি মানুষের স্বপ্ন, অনেক মানুষের ভবিষ্যৎ মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর সবচেয়ে বড়
মোঃ শাহজাহান বাশার
এক হাতে প্রবাসের ব্যস্ত নগরীর ট্যাক্সির স্টিয়ারিং, অন্য হাতে জন্মভূমির মানুষের জন্য একটি আলোকিত ভবিষ্যতের স্বপ্ন এই দুইয়ের সমন্বয়ে জীবনের তিন দশকেরও বেশি সময় কাটিয়ে দিয়েছেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের সন্তান মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী।আর হয়তো কোনো একদিন ধান্যদৌলের কোনো শিক্ষার্থী বড় হয়ে দেশের কিংবা বিশ্বের কোনো প্রান্তে দাঁড়িয়ে বলবে—
“আমার পথচলার শুরু হয়েছিল একজন মানুষের স্বপ্ন থেকে।”
নিউইয়র্কের ব্যস্ত সড়কে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ট্যাক্সি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছেন তিনি। প্রবাসজীবনের কঠোর পরিশ্রম, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, ব্যস্ত নগরীর ক্লান্তিকর জীবন—কোনোটিই তাকে তার শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। বরং হাজার হাজার মাইল দূরে থেকেও তার মন পড়ে থেকেছে জন্মভূমির মাটি, গ্রামের মানুষ এবং বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যতের দিকে।
তার কাছে অর্থ ছিল শুধু নিজের জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করার উপকরণ নয়; অর্থের একটি বড় অর্থ ছিল মানুষের জীবনে পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করা। সেই বিশ্বাস থেকেই প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তিনি ব্যক্তিগত ভোগ-বিলাসে ব্যয় না করে বিনিয়োগ করেছেন নিজের এলাকার শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে।
মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর স্বপ্ন ছিল খুব সহজ, কিন্তু তার তাৎপর্য অনেক গভীর—অর্থের অভাবে যেন কোনো মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থী মাঝপথে থমকে না যায়। কোনো শিক্ষার্থীর হাতে বই থাকার কথা ছিল, অথচ অর্থের অভাবে যেন তাকে শ্রমের বোঝা কাঁধে তুলে নিতে না হয়; কোনো পরিবারের আর্থিক সংকট যেন সন্তানের শিক্ষার পথে দেয়াল হয়ে না দাঁড়ায়—এই ভাবনাই তাকে বছরের পর বছর অনুপ্রাণিত করেছে।
একজন মানুষের ব্যক্তিগত স্বপ্ন যখন একটি এলাকার বহু মানুষের স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়, তখন সেটি আর ব্যক্তিগত স্বপ্ন থাকে না; তা হয়ে ওঠে সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি উদাহরণ। মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর কর্মকাণ্ডকে সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখা যায়।
তার উদ্যোগ ও আর্থিক সহযোগিতায় নিজ এলাকায় গড়ে উঠেছে স্কুল, একাধিক কলেজ, প্রি-ক্যাডেট স্কুল, মাদ্রাসা, গ্রন্থাগার, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং একটি ফাউন্ডেশন। এসব প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগের পেছনে রয়েছে একটি দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা—শিক্ষার সুযোগকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং একটি প্রজন্মকে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত করা।
গ্রামবাংলায় শিক্ষার প্রসারে ব্যক্তিগত উদ্যোগ অবশ্য নতুন কোনো বিষয় নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বহু মানুষ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তবে বিদেশের মাটিতে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় কঠোর পরিশ্রম করে অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের জন্মভূমিতে শিক্ষা অবকাঠামোর বিস্তৃত পরিসর গড়ে তোলার উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।
কারণ প্রবাসজীবন যতটা বাইরে থেকে আকর্ষণীয় মনে হয়, বাস্তবে তা ততটাই সংগ্রামের। নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ, প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততা, পরিবার ও জীবিকার নানা দায়িত্ব—সবকিছুর মধ্যেও নিজের এলাকার মানুষের কথা মনে রাখা এবং সেই মানুষগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা সহজ কাজ নয়।
নিউইয়র্ক শহরের ব্যস্ত সড়কে ট্যাক্সি চালানোর সময় হয়তো পথের যাত্রী বদলেছে, শহরের দৃশ্য বদলেছে, সময় বদলেছে; কিন্তু বদলায়নি মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর জন্মভূমির প্রতি টান।
জীবিকার প্রয়োজনে তিনি ছিলেন নিউইয়র্কে, কিন্তু তার স্বপ্নের একটি বড় অংশ পড়ে ছিল ধান্যদৌলের মাটিতে।
এখানেই তার গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি নিহিত।প্রবাসে উপার্জন করা অর্থ দেশে পাঠানো এবং পরিবারের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা—এটি প্রবাসী জীবনের স্বাভাবিক বাস্তবতা। কিন্তু সেই অর্থের একটি অংশ যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে বিনিয়োগ করা হয়, তখন ব্যক্তিগত উপার্জন একটি বৃহত্তর সামাজিক সম্পদে রূপ নেয়।
মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী সেই পথটিই বেছে নিয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।তার এই উদ্যোগের পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা ছিল বাবা-মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। মানুষের জীবনে বাবা-মায়ের ঋণ কখনো পরিশোধ করা যায় না। কেউ সেই ঋণ স্মরণ করেন ব্যক্তিগতভাবে, কেউ আবার মানুষের কল্যাণে কাজ করার মধ্য দিয়ে তাদের স্মৃতিকে সম্মান জানান। মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর কর্মকাণ্ডেও সেই পারিবারিক মূল্যবোধের প্রতিফলন দেখা যায়।
একটি গ্রামের একজন সন্তান যখন নিজের সাফল্যের একটি অংশ আবার সেই গ্রামের মানুষের কাছে ফিরিয়ে দেন, তখন তার সাফল্য শুধু তার নিজের থাকে না—তার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় একটি জনপদের গল্প।
ধান্যদৌলের মাটি থেকে উঠে এসে নিউইয়র্কের মতো বিশ্বনগরে তিন দশকেরও বেশি সময় শ্রম দেওয়া, জীবিকা অর্জন করা এবং সেই উপার্জনের একটি অংশ আবার জন্মভূমির উন্নয়নে ব্যয় করা—এটি প্রবাসী জীবনের একটি ভিন্নতর দর্শনের কথাও বলে।
প্রবাস মানেই শেকড় ভুলে যাওয়া নয়।বরং অনেক প্রবাসীর জীবনে দেখা যায়, দূরত্ব যত বাড়ে, জন্মভূমির প্রতি টান তত গভীর হয়। বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে তারা উপলব্ধি করেন—নিজের গ্রামের একটি ভালো স্কুল, একটি লাইব্রেরি, একটি চিকিৎসাকেন্দ্র কিংবা একটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়তো তাদের নিজের জীবনের সবচেয়ে অর্থবহ বিনিয়োগগুলোর একটি।
মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর উদ্যোগ সেই উপলব্ধিরই একটি স্থানীয় প্রতিফলন।
তার কাজের সবচেয়ে বড় শক্তি সম্ভবত এর ধারাবাহিকতায়। এককালীন দান বা সাময়িক সহযোগিতার বাইরে গিয়ে শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামো গড়ে তোলার চিন্তা একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পরিচয় বহন করে। কারণ একটি ভবন নির্মাণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ; কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বছরের পর বছর শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়া, মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করা এবং একটি প্রজন্মের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আনা—সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ।
আর সেখানেই একজন দানশীল মানুষের প্রকৃত অবদানের মূল্যায়ন নিহিত।
আজকের বাংলাদেশে শিক্ষার প্রসার ঘটলেও অর্থনৈতিক বৈষম্য এখনো অনেক পরিবারের জন্য বড় বাস্তবতা। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী সামর্থ্যের অভাবে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেকে পিছিয়ে যায়। কারও বই কেনার টাকা নেই, কারও ভর্তি ফি জোগাড় করা কঠিন, আবার কারও পরিবারে শিক্ষার চেয়ে জীবিকার প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।
এই বাস্তবতায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু একটি ভবন নয়; এটি একটি সম্ভাবনার দরজা।একটি গ্রন্থাগার শুধু বইয়ের তাক নয়; এটি একটি প্রজন্মের চিন্তার জানালা।
একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান শুধু চিকিৎসার স্থান নয়; এটি একটি পরিবারের নিরাপত্তার আশ্রয়।
আর একজন মানুষের সহযোগিতা যদি এসব সুযোগ তৈরি করতে পারে, তাহলে সেই সহযোগিতার সামাজিক মূল্য অর্থের অঙ্ক দিয়ে পরিমাপ করা কঠিন।
মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর জীবন তাই শুধু একজন প্রবাসী ট্যাক্সিচালকের গল্প নয়। এটি একজন মানুষের শেকড়ের প্রতি দায়বদ্ধতার গল্প। এটি প্রমাণ করে—মানুষ পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক, তার হৃদয়ের একটি অংশ পড়ে থাকতে পারে জন্মভূমির মানুষের কাছে।
আজ যখন সাফল্যের সংজ্ঞা অনেক সময় অর্থ, সম্পদ ও ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, তখন মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর মতো মানুষের জীবন আমাদের সাফল্যের আরেকটি সংজ্ঞা মনে করিয়ে দেয়।সাফল্য শুধু কতটা অর্জন করলাম—তার হিসাব নয়।সাফল্যের আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো—অর্জনের কতটা অন্যের জীবনে আলো জ্বালাতে পারলাম?
একজন মানুষ হয়তো সারাজীবন পরিশ্রম করে নিজের জন্য একটি বাড়ি বানাতে পারেন। কিন্তু সেই অর্থ দিয়ে যদি তিনি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে দেন, একটি লাইব্রেরি তৈরি করেন, একটি চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন কিংবা একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন টিকিয়ে রাখেন—তাহলে তার শ্রমের ফল বহু মানুষের জীবনে ছড়িয়ে পড়ে।
মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর উদ্যোগের তাৎপর্য এখানেই।তিনি হয়তো নিউইয়র্কের রাস্তায় ট্যাক্সি চালিয়েছেন জীবিকার জন্য; কিন্তু সেই স্টিয়ারিংয়ের আড়ালে ছিল একটি বড় স্বপ্ন—নিজের মানুষগুলোর জন্য কিছু করার স্বপ্ন।সময়ের স্রোতে ট্যাক্সির স্টিয়ারিং একদিন থেমে যাবে। কর্মজীবনের ব্যস্ততা শেষ হবে। প্রবাসের দিনগুলোও একসময় স্মৃতিতে পরিণত হবে। কিন্তু একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চলবে, কোনো গ্রন্থাগারে বইয়ের পাতা উল্টাবে নতুন প্রজন্ম, কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে মানুষ চিকিৎসা পাবে—আর সেসবের সঙ্গে কোথাও না কোথাও জড়িয়ে থাকবে একজন মানুষের শ্রম ও স্বপ্ন।মানুষের জীবনের প্রকৃত উত্তরাধিকার সম্ভবত এখানেই।
সম্পদ রেখে যাওয়া যায়, আবার সম্পদ শেষও হয়ে যায়। কিন্তু শিক্ষা ও মানবকল্যাণে বিনিয়োগ করা একটি ভালো উদ্যোগ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে যেতে পারে।
মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর গল্প তাই শুধু প্রশংসার গল্প নয়; এটি একটি প্রশ্নও ছুড়ে দেয় আমাদের সমাজের প্রতি—আমরা যার যার অবস্থান থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কী রেখে যাচ্ছি?
প্রবাসী হোন কিংবা দেশে থাকা মানুষ—সামর্থ্য সবার সমান নয়। কিন্তু মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। কেউ একটি বই দিতে পারেন, কেউ একটি বৃত্তি দিতে পারেন, কেউ একটি গাছ লাগাতে পারেন, কেউ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেন। পরিবর্তনের শুরুটা হয় একটি ছোট উদ্যোগ থেকেই।
ধান্যদৌলের সন্তান মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর জীবনের গল্প আমাদের সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়—শেকড় থেকে দূরে থাকা যায়, কিন্তু শেকড়কে ভুলে থাকা যায় না।
আর একজন মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার কত অর্থ আছে, তা নয়; বরং তার সামর্থ্যের কতটা তিনি মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছেন—সেটিও তার পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
নিউইয়র্কের ব্যস্ত সড়ক থেকে কুমিল্লার ধান্যদৌল—দুই ভিন্ন পৃথিবীর মাঝখানে দাঁড়িয়ে মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী যে সেতুটি তৈরি করেছেন, সেটি অর্থের নয়; এটি শিক্ষা, মানবিকতা, দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসার সেতু।এই সেতু যত দীর্ঘ হবে, তত বেশি মানুষ তার সুফল পাবে।সেদিনই হয়তো একজন মানুষের দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পরিশ্রম, ত্যাগ ও স্বপ্ন সবচেয়ে বড় অর্থ খুঁজে পাবে।
পাঠকদের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্য(no title)
৯ ঘণ্টা আগেবাঁচার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন তাজমিন, আলামত মিলল ধানক্ষেতে
১৬ ঘণ্টা আগেবিএসপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানকে নবনিযুক্ত মহাসচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিকের ফুলেল শুভেচ্ছা
১৭ ঘণ্টা আগেবুড়িচংয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কথা জানালেন সাইফুল ইসলাম টিপু
০৭ অক্টোবর, ২০২৬মুক্তিযুদ্ধে ফরাসি বন্ধু আঁদ্রে মালরো: বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে এক বিশ্বমানবের অঙ্গীকার
০৭ অক্টোবর, ২০২৬দাউদকান্দি মডেল থানার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১২ পুরস্কার অর্জন
০৭ অক্টোবর, ২০২৬অনলাইন জরিপ (Poll)
সকল পোল »আপনি কি মনে করেন চলতি মেয়াদে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে?
ফটো কার্ড স্টাইল নির্বাচন করুন
সংবাদের ছবি দিয়ে কিভাবে ফটো কার্ডটি ডাউনলোড করতে চান অপশন সিলেক্ট করুন
ANB24.NET
সত্যের সন্ধানে বিশ্বজুড়ে, প্রবাসের খবর সবার আগে।
একটি মানুষের স্বপ্ন, অনেক মানুষের ভবিষ্যৎ মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর সবচেয়ে বড়
একটি মানুষের স্বপ্ন, অনেক মানুষের ভবিষ্যৎ মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর সবচেয়ে বড়
ANB24.NET
সত্যের সন্ধানে বিশ্বজুড়ে, প্রবাসের খবর সবার আগে।